ঢাকা, জুন ০৩ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনায় সাবেক রেলমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী ওমর ফারুক, পূর্বাঞ্চল রেলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ইউসুফ মৃধা ও তার স্ত্রী ইয়াসমিন নার্গিস জাকিয়া এবং জিআরপি ঢাকার কমান্ডেন্ট এনামুল হক ও তার স্ত্রী রাহাত আরা হক দিবা তাদের সম্পদের হিসাব জমা দিয়েছেন।
রোববার দুর্নীতি দমন কমিশনের সচিব ফায়জুর রহমান চৌধুরীর কাছে স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির হিসাব জমা দেন তারা।
গত ১৪ মে ওই পাঁচজনের সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ পাঠায় দুদক।
প্রাথমিক তদন্তের পর দুদক জানিয়েছিল, ওই পাঁচজনের জ্ঞাত আয়ের বাইরেও সম্পত্তি রয়েছে।
গত ৯ এপ্রিল রাতে রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরের ফটকে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের ব্যক্তিগত সহকারী ওমর ফারুক তালুকদারের গাড়িতে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাওয়ার ঘটনা প্রকাশ হওয়ার পর থেকে তা নিয়ে ব্যাপক শোরগোল শুরু হয়।
গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ওই রাতে ফারুকের সঙ্গে ৭০ লাখ টাকা পাওয়া যায়, যা রেলে নিয়োগে ঘুষ হিসেবে নেওয়া হয়েছিলো। পূর্বাঞ্চল রেলের জিএম ইউসুফ এবং কমান্ডেন্ট এনামুল হকও ওই গাড়িতে ছিলেন।
ঘটনার জের ধরে ইউসুফ ও এনামুলকে সাময়িক বরখাস্ত এবং ওমর ফারুককে চাকরিচ্যুত করা হয়। মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান সুরঞ্জিত সেনগুপ্তও।
এ ঘটনায় গঠিত রেলের তদন্ত কমিটি গত ১৩ মে প্রতিবেদন দেয়। এতে বলা হয়, অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনায় সাবেক রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, ইউসুফ আলী মৃধা বা এনামুল হকের কোনো সংশ্লিষ্টতা তদন্ত কমিটি পায়নি।
দুদক আলাদাভাবে এ ঘটনার তদন্ত করছে। ওমর ফারুক, ইউসুফ মৃধা ও এনামুল হককে গত ১৮ এপ্রিল জিজ্ঞাসাবাদও করেছে অনুসন্ধানকারী দল।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/পিসি/জেকে/১৪০০ ঘ.