সর্বশেষ :
partners logo
6:40 am BdST, Thursday, May 23, 2013
মিশরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্বের ভোটচলছে
Sun, Jun 17th, 2012 1:13 am BdST
 
ঢাকা, জুন ১৬ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)-মিশরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্বের ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে শনিবার। শনি ও রোববার দুইদিনব্যাপী ভোট গ্রহণ চলবে।

প্রথম পর্বের ভোটে এগিয়ে থাকা দুই প্রার্থী মুসলিম ব্রাদারহুডের রাজনৈতিক শাখা ‘ফ্রিডম অ্যান্ড জাস্টিস পার্টি’র মোহাম্মদ মুরসি ও সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারকের সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রী আহমেদ শফিক দ্বিতীয় পর্বের এই ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বলে বিবিসি জানিয়েছে।

এই দু’জনের মধ্যে যে কোনো একজন হবেন মিশরের দীর্ঘ ইতিহাসে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রথম প্রেসিডেন্ট।

নির্বাচিত প্রেসিডেন্টের কাছে ১ জুলাই মিশরের শাসনভার তুলে দেওয়ারঅঙ্গীকার করেছে বর্তমান ক্ষমতাসীন সর্বোচ্চ সামরিক পরিষদ।
কিন্তুগণবিক্ষোভের মধ্য দিয়ে মিশরে প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারকের পতনের পর গণতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের যে আশা জেগে উঠেছিল, সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের দু’টি সিদ্ধান্তে তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ সাংবিধানিক আদালতের বিচারকদের একটি প্যানেল ছয় দশকের মধ্যে অনুষ্ঠিত মিশরের প্রথম গণতান্ত্রিক পার্লামেন্ট নির্বাচন অসিংবিধানিক বলে রুল জারি করেছে। ভেঙে দিতে বলেছেপার্লামেন্টের নি¤œকক্ষ ।

স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত আসনে রাজনৈতিক প্রার্থীদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে দেওয়ায় তারা এ রুল জারি করে।
উল্লেখ্য, এই প্যানেলের বিচারকেরা সবাই মুবারকের শাসনামলে নিয়োগ পেয়েছিলেন।

এর আগে একই আদালত, মুবারক আমলের কোনো কর্মকর্তা দেশটির প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন না- এমন একটি আইনকে অসাংবিধানিক বলে ঘোষণা করেছে।
ফলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেজিতলে মুবারক আমলের প্রধানমন্ত্রী আহমেদ শফিকের ক্ষমতায় যাওয়ার পথে কোনো আইনি বাধা আর থাকলো না।
প্রথম পর্বের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে আইনটি পাশ করেছিলমুসলিম ব্রাদারহুডের প্রাধান্য থাকাপার্লামেন্ট।
এখন পার্লামেন্ট ভেঙে দিলে দ্বিতীয় পর্বের ভোটে নির্বাচিত প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার রাশ টেনে ধরার মতো কোনো প্রতিষ্ঠান থাকবে না। আর প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা ও দায়িত্ব নির্ধারণ করে দেওয়া কোনো স্থায়ী সংবিধান না থাকায় নির্বাচিত প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার কোনো নির্দিষ্ট সীমাও থাকবে না।
শনি- রোববারের ভোটে এ বিষয়গুলোর কোনো সমাধানও হবে না। নতুন সংবিধান রচনার জন্য পার্লামেন্ট সদস্যরা যে ১শ’ জনের পরিষদ গঠন করেছে পার্লামেন্ট ভেঙে দিলে তার অস্তিত্বও বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
এ অবস্থায় আহমেদ শফিক নির্বাচিত হলে সামরিক পরিষদ হয়তো তার কাছে ক্ষমতা হন্তান্তর করবে, কিন্তু ব্রাদারহুডের প্রার্থী মুরসি বিজয়ী হলে ঘটনা অন্যরকম হওয়ার আশঙ্কা করছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো।
ইসলামপন্থী, উদারপন্থী ও সুশীল সমাজ পার্লামেন্ট বিলুপ্ত করার রুলকে “ক্যু” বলে বর্ণনা করেছে। তারা আশঙ্কা করছে ক্ষমতাসীন জেনারেলরা হয়তো মিশরের শাসনক্ষমতায় আবার ফিরে আসার ব্যবস্থা পাকা করছেন।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এবি/সিআর/১২২৭ ঘ.



 
WARNING: Any unauthorised use or reproduction of bdnews24.com content for commercial purposes is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to legal action.
Share |
 

bdnews-twitter

এ সম্পর্কিত আরো খবর



Rank